বাংলাদেশ , রোববার, ৯ আগস্ট ২০২০

করোনার মধ্যেই ফের চীন বিরোধী বিক্ষোভে অস্থির হংকং

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৪ ১৩:২৩:০৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৪ ১৩:২৩:০৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাসের মধ্যেই ফের চীন বিরোধী বিক্ষোভে অস্থির হয়ে উঠেছে হংকং। হংকং নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্প্রতি বিতর্কিত একটি জাতীয় নিরাপত্তা আইন চালুর পরিকল্পনা করেছে চীন। এরই বিরুদ্ধে রোববার করোনা সংক্রমণের হুমকিকে উপেক্ষা করে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী হংকংয়ের কেন্দ্রস্থলে অবস্থান নিয়েছে। এদিকে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে জলকামান ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এছাড়া প্রায় ১২০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে হংকং পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমসমূহ। এর আগে, বিশ্বের ২০০ জন প্রবীণ রাজনীতিবিদ চীনের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের পরিকল্পনার সমালোচনা করে একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতি স্বাক্ষরকারীরা বলেছেন, চীনের এই আইন ওই শহরের স্বায়ত্তশাসন, আইনের শাসন ও মৌলিক অধিকারের অবমাননা। নতুন এই আইনটি পাশ হয়ে গেলে হংকংয়ে কেউ বৈধভাবে নিজেদের অধিকার নিয়ে কথা বলতে পারবেন না। তারা স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করতে পারবেন না। আতঙ্ক দেখা দিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতির কেন্দ্র হংকংয়ে এই আইনের ফলে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি হবে। কিন্তু চীন সেই আতঙ্ককে উড়িয়ে দিয়েছে। তারা ‘কাদা ছোড়াছুড়িতে’ ব্যস্ত দেশগুলোর কড়া সমালোচনা করেছে। বর্তমানে হংকংয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম। তাকে দেখা হয় বেইজিংপন্থি রাজনীতিক হিসেবে। তিনি এরই মধ্যে প্রস্তাবিত আইনের প্রতি পূর্ণাঙ্গ সমর্থন দিয়েছেন এবং বলেছেন, এই আইন হলে হংকংয়ের স্বাধীনতা অপরিবর্তিত থাকবে।
গত বছর শেষের দিকে যে ধরনের বিক্ষোভ হয়েছিল হংকংয়ে রোববারের বিক্ষোভও সেই একই রকম ছিল। সে সময়ের মতো বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। কেউ কেউ এ সময় কর্মকর্তাদের দিকে ছাতার মতো বস্তু ছুড়ে মেরেছে। গত বছর গণতন্ত্রের পক্ষে বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে সেখানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কমপক্ষে ৮ হাজার ৩০০ মানুষকে।
এর আগে ২০০৩ সালেও হংকং সরকার এই আইনটি চালু করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছিল। সে সময় রাস্তায় ৫ লাখ লোক জমায়েত হয়ে প্রতিবাদ শুরু করলে পিছু হটে হংকং সরকার। সূত্র: বিবিসি

ট্যাগ :