বাংলাদেশ , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০

সুগন্ধা পয়েন্টে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে পুলিশ-ব্যবসায়ী সংঘর্ষ

প্রকাশ: ২০২০-১০-১৭ ১১:১১:০০ || আপডেট: ২০২০-১০-১৭ ১১:১১:০০

অনলাইন নিউজঃ কলাতলী সুগন্ধা পয়েন্টে সেই ৫২ জনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে গিয়ে ব্যবসায়ী ও পুলিশের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সংবাদকর্মীসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল ৪ টার দিকে বুল্ডোজার দিয়ে দোকানপাটগুলো গুড়িয়ে দেয়ার মুহূর্তে এ ঘটনা ঘটে। এখনো সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চলছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ছিলেন- কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ, কক্সবাজার সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ শাহরিয়ার মোক্তার, কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনির উল গিয়াসের নেতৃত্বাধীন টিম।
সহকারি কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ শাহরিয়ার মোক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয় প্রশাসনের যৌথ টিম। ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ থামাতে ফাঁকা গুলি, রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল ছুঁড়ে পুলিশ।
সূত্র মতে, গত ১ অক্টোবর সমুদ্র সৈকতের কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টে ৫২ জনের স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টের দেওয়া রুল ও স্থগিতাদেশ খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ভূমি মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।
ফলে ওই ৫২ ব্যক্তির স্থাপনা উচ্ছেদে কোনো বাধা না থাকায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে সুগন্ধা পয়েন্টের এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয়।
জানা যায়, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী সুগন্ধা পয়েন্টে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্সধারী ব্যক্তিরা পরিচালনা করে আসায় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। পরে জসিম উদ্দিনসহ ৫২ জন একটি রিট আবেদন দায়ের করেন। একই বছরের ১৬ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন।
এর বিরুদ্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ শুনানি শেষে হাইকোর্টের রুল ও স্থগিতাদেশ খারিজ করে রায় দেন।

ট্যাগ :