বাংলাদেশ , রোববার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১

সমিতি পাড়ার পতনের উত্থান : ফল ব্যবসায়ী থেকে হানিফ পরিবহনের মালিক

প্রকাশ: ২০২১-০১-০৯ ১০:৫০:০৭ || আপডেট: ২০২১-০১-০৯ ১০:৫০:০৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : সামান্য ফল ব্যবসায়ী থেকে আজ হানিফ পরিবহনের মালিক নুরুল ইসলাম পতন। মহেশখালী নতুনবাজারের মৃত ফোরকান আহমদ এর পুত্র। বর্তমানে কক্সবাজার পৌরসভার ফদনারডেইল পূর্ব কুতুবদিয়া পাড়ায় স্থায়ী নিবাস তৈরী করেছেন। সরকার ইয়াবা ব্যবসা নির্মূলে যুদ্ধ ঘোষনা করলেও পতন এর মত কিছু মুখাশধারী ইয়াবা পাচারকারীর ধরােছায়ার বাইরে আছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী। এতেই পুরো দেশ ইয়াবা সয়লাব হচ্ছে। প্রসাশনের নজর এড়িয়ে তাদের ইয়াবা রাজত্বের দিন দিন বাড়তে চলেছে। ইয়াবার আগ্রাসন শহর থেকে গ্রামের দিকে ধাবিত হচ্ছে । কক্সবাজার পৌর শহর এলাকার সমিতি পাড়ায় ঠিক তেমনি একজন নাম তার নুরুল ইসলাম পতন। প্রসাশনের কাছে তার নাম না থাকেলও বরাবরই ইয়াবা ব্যবসা করে যাচ্ছে পতন। হয়ে গেছেন কোটিপতি এরই মধ্যে কিনেছেন চট্রগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়েকর জন্য হানিফ পরিবহন গড়েছেন টমটমের বড় শোরুম, রােড়ে আছে অর্ধশতাধিক টমটম সহ আরো বেশ কিছু ওপেন ব্যবসা। নিজ বাড়ি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী নতুনবাজার, গত কয়েক বছর আগে এসেছেন কাজের সন্ধানে কক্সবাজার পৌর শহর এলাকায়। প্রথমে ফল বিক্রি, এর পর মহেশখালী থেকে লবনের মাঠের ব্যবহৃত তেরপাল বিক্রি করতো নুরুল ইসলাম, প্রকাশ (পতন)। প্রথমে পতন কক্সবাজার শহরের পৌরসভার চরপাড়া এলাকায় তার বসবাস শুরু করে। এবং সেখান থেকে পূর্ব কুতুবদিয়া পাড়া ফদনার ডেইল এলাকায় বসবাস শুরু করে স্থায়ী ভাবে।

গোপন সুত্রে জানা যায়,  বিভিন্ন ব্যবসার ক্ষতি হতে থাকলে পতন ক্ষতির ভার সইতে না ফেরে আড়ালে জিড়িয়ে পড়ে মাদক ব্যবসার সাথে এর পর পতনের উত্তান শুরু হয়। একের পর এক ব্যবসা বাড়াতে থাকে করে ফেলেন অগাত সম্পদ, বর্তমানে চট্রগ্রাম –কক্সবাজার মহসড়কে চলমান হানিফ বাস, সমিতি পাড়া এলাকায় টমটম শো-রুম, গ্যারেজ করে নিজের অর্ধশত টমটম বাড়ায় দিয়ে চালাচ্ছেন অনেকই।রয়েছে সোলার নতুন ব্যাটারীর ব্যবসাও।

এদিকে আরো জানা যায়, পতন ইয়াবা ব্যবসায় তার নাম উঠে না আসেলও সহযোগীেদের দিয়ে এলাকায় চালাচ্ছে মাদক ব্যবসা। রয়েছে অসংখ্য সহেযাগী। যার কারেন বরাবরই আড়ালে থেকে যায় পতন। পতনের নামে নেই কোন অভিযোগ। ভদ্র মুখোশ এর আড়ালে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা। কক্সবাজার থেকে বড় বড় ইয়াবা চালানে সহযোগিতা করে তার মেয়ে সুমী ও তার মেয়ের জামাই আমানুল মেস্তরী,পেশায় সে রং মেস্তরী । পতনের স্ত্রী রোকসানা বেগম ও বিভিন্ন সময় ইয়াবা পাচারে সহায়তা করতো বলে শোনা যায় ।এলাকাবাসী মনে করেন অল্প সময়ে এতো টাকার মালিক হওয়া এটি খতিয়ে দেখার বিষয় । এদিকে এতো অল্প সময়ে চট্রগ্রাম–কক্সবাজার সড়কের জন্য হানিফ পরিবহন ক্রয় এর উৎস কোথায় পতনের কাছে জানতে চাইলে সে জানায় আমি লোন নিয়েছি বিভিন্ন জায়গা থেকে তা দিয়ে হানিফ পরিবহনটি ক্রয় করেছি। এবং টমটম গ্যারেজে আমার অর্ধ শত টমটম নেই , আছে কয়েকটি। এদিকে সাধারন জনগন মনে করেন হানিফ পরিবহন ক্রয় এটি বড় বাজেট এর প্রয়োজন পড়ে যা পতনের কাছে এলো কোথা থেকে? প্রতিবেদক সরেজমিনে সমিতিপাড়া এলাকায় গেলে গ্যারেজে পতন এর ম্যানেজার সহ বেশ কিছু লোক কাজ করেত দেখা য়ায়। পতন কোথায় জানতে চাইলে তারা জানান তার মালিকানাধীন হানিফ পরিবহন কিছুদিন আগে একসিডেন্ট করেছে তার জন্য চট্রগ্রাম গেছেন তা মেরামত করার জন্য ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সমিতি পাড়ার এক বাসিন্দা জানান, পতনের গ্যারেজ আছে নতুন টমটমে শোরুম আছে এবং তার নিজের টমটম ভাড়ায় অনেকেই চালান এলাকায়।

ইয়াবা ব্যবসার সাথে জডিত আছে কিনা? জানতে চাইলে সে জানান, শোনেছি পতন ইয়াবা ব্যবসা করে তবে প্রসাশনের কাছে কোনিদন ধরা পেড়েনি বা আমরা কোনদিন দেখিনাই । যদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সঠিক তদন্ত করে তা হলে হয়তো আসল রহস্য উঠে আসবে । ইয়াবা প্রতিরোধ করনে প্রসাশনের নজরদারী কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

ট্যাগ :