বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০

ছাত্রলীগ-যুবলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে জমি দখলকারী তামজিদ তার ভাই দিদারের বিরুদ্ধের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-২৪ ১৬:০৭:৫৬ || আপডেট: ২০১৯-০৮-২৪ ১৬:০৭:৫৬

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : সদর উপজেলা খুরুশকুলের তেতৈয়া এলাকায় জমি জবর দখলকে কেন্দ্র করে ভূমিদস্যুদের সাথে এলাকাবাসির সৃষ্ট ঘটনা নিয়ে নানা ষড়যত্রের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভূক্তভোগী জমির মালিকরা। এ সময় ভূক্তভোগীরা সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী তামজিদ পাশা ও তার ভাই ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি কাজী দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, অপহরণসহ এলাকায় নানা অপকর্মের কথা তুলে ধরেন। শনিবার (২৪ আগষ্ট) বিকাল ৪টায় শহরের অভিজাত এক হোটেলে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগী জমির মালিক জাফর আলম, মো: আলী, আব্দুল জলিল ও মসজিদ কমিটির পক্ষে সভাপতি নাবাব মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
ভূক্তভোগীরা বলছেন, ক্ষমতাসিন দলের অঙ্গ সহযোগি সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নাম ব্যবহার করে তারা নানা অপকর্ম করে পার পেয়ে যাচ্ছে খুব সহজে। তারই ধারাবাহিকতায় এলাকায় গড়ে তোলেন স্বশস্ত্র সন্ত্রাসি সিন্ডিকেট। উক্ত সিন্ডিকেট দিয়ে তেতৈয়া গুইল্যা বাপের পাড়া জামে মসজিদের জমিসহ স্থানীয় অসহায় মানুষের জমি জবর দখলের চেষ্টাকালে জনতার হাতে গণধুলাইয়ের শিকার হন গডফাদার তামজিদ পাশা ও তার আরো দুই সহযোগি। শুধু তাই নয় ঘটনাকালে জনতা তামজিদ পেশার স্বশস্ত্র ক্যাডার বরকত উল্লাহকে অস্ত্রসহ হাতেনাতে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। কিন্তু বিধি বাম। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার একটি স্বার্থেন্বেষি মহল ফয়দা লুটার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। উক্ত চক্র দলের নাম ব্যবহারকারী ভূমিদস্যুদের দিয়ে মামলা মুকাদ্দমা করে এলাকার নিরীহ মানুষদের ফাঁসানোর অভিযোগ তুলেন। ভূক্তভোগীরা আরো অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার বিষয়ে ভূল বুঝিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে দলীয় নেতাকর্মীদের কিন্তু আসল মুখোশ উন্মোচন করছেন না কেউ। তাদের মুখোশ খোলার জন্য আপনারা একবার সরজমিনে এলাকায় এসে দেখে যান তারপর বোঝতে পারবেন ঘটনার রহস্য কি। এ সময় ভূক্তভোগীরা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে প্রতিদন্দ্বিতাকারী ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা মো: কামাল উদ্দিন কামাল ও তার ভাই খুরুশকুল ইউনিয়ন স্বেচ্চাসেবক লীগের সভাপতি ও ১নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় মেম্বার শেখ কামালকে এ ঘটনায় জড়ানোর অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। তাদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে উক্ত চক্র এই জনপ্রিয় দুই নেতাকে কোনঠাসা করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। আসলে ঘটনার সাথে তাদের কোন ধরণের সংশ্লিষ্টতা নেই।
তারা আরো বলেন, ঘটনার পর সন্ত্রাসিরা অসাধু নেতাকর্মী ও এলাকার কুচক্রি মহলের আষ্কারায় সাধারণ মানুষদের মিথ্যা মামলা, খুন, অপহরণসহ নানা ধরণের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। দলীয় পদ-পদবী ব্যবহারকারী সন্ত্রাসিদের কথায় কর্ণপাত না করে আসল ঘটনা উৎঘাট করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভূক্তভোগীরা।

ট্যাগ :